• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন

শিশুদের বুলিংয়ে করণীয় কী শিক্ষকরাও জানেন না: বিএমইউ উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ৮ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুসহ শিক্ষার্থীরা বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে-অথচ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরাও হয়তো জানেন না যে, এক্ষেত্রে করণীয় কী? এই সমস্যা সমাধানে সভা-সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) মনোরোগবিদ্যা বিভাগের আয়োজনে `Child & Adolescent Mental Health (CAMH) Sercices Action Plan Dissemination Workshop”টি অনুষ্ঠিত হয়। শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার বর্তমান চিত্র অনুধাবন, উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়ণকে সামনে রেখে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

মনোরোগবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ও ব্যাকামের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এম. এম. এ. সালাহউদ্দিন কাউসার বিপ্লবের সভাপতিত্বে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের সেমিনার হলে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে এই কর্মশালা শুরু হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়ণে বিভিন্ন উপায় তুলে ধরেন।

এ সময় তারা শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের হয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা বলেন, শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোর মনোরোগ বিদ্যা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগ, সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, সংশ্লিষ্ট এনজিওগুলোসহ সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

কর্মশালায় দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য আরও বলেন, শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ ও সক্ষম হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তাদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, বর্তমানে শিশু-কিশোরদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাসহ স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

বক্তারা CAMHSAN (Child and Adolescent Mental Health South Asian Network)-এর আওতায় নেওয়া “Action Plan”-এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তা বাস্তবায়নের গুরুত্ব উল্লেখ করেন।

কর্মশালায় তারা সার্কের দেশগুলোর সংশ্লিষ্টদেরও এক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করা ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কর্মশালাটি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর চাইল্ড অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট মেন্টাল হেলথ ও ইউনিসেফ-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরোও

Archive Calendar

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930