যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার এখনো ওয়াশিংটন থেকে বিমানে ওঠেননি—এই তথ্যটি নিশ্চিত হওয়া গেলেও তাদের সফর বাতিল হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
মার্কিন প্রতিনিধিদের বহুল প্রতীক্ষিত ইসলামাবাদ সফর নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও পাকিস্তান এখনো মনে করছে যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা নির্ধারিত সময়েই শুরু হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার এখনো ওয়াশিংটন থেকে বিমানে ওঠেননি—এই তথ্যটি নিশ্চিত হওয়া গেলেও তাদের সফর বাতিল হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
হোয়াইট হাউস প্রতিনিধিদের এই যাত্রার সূচি নিয়ে রহস্য বজায় রাখলেও পাকিস্তানের নীতি-নির্ধারকরা আশা করছেন যে, বুধবার খুব ভোরেই তারা ওয়াশিংটন থেকে রওনা দেবেন। সব কিছু ঠিক থাকলে বুধবার গভীর রাতে তারা ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন এবং সাথে সাথেই সরাসরি আলোচনায় বসে যাবেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই বার্তাই দেয়া হচ্ছে যে, সব জটিলতা কাটিয়ে আলোচনা এখনো সঠিক পথেই আছে।
এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। আলোচনার পথে যা কিছু বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তার সব দায় তিনি ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন। ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ অ্যাকাউন্টে লিখেছেন যে, ইরান অসংখ্যবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।
মূলত ইরান যখন দাবি করছে যে মার্কিন বাহিনী তাদের জাহাজ জব্দ করে এবং সাগরে অবরোধ জারি রেখে শান্তি চুক্তি ভেঙেছে, ট্রাম্প তখন পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে সেই দাবিকে নস্যাৎ করতে চাইছেন। দুই দেশের মধ্যে এই চরম উত্তেজনা আর পাল্টাপাল্টি দোষারোপের আবহেই পাকিস্তান তাকিয়ে আছে আগামীকালকের বৈঠকের দিকে। তারা বিশ্বাস করছে, মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলই হবে পরবর্তী গন্তব্য।
সূত্র: আল জাজিরা