
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, গার্মেন্টস, রেমিট্যান্সসহ বিভিন্ন খাতে যে উন্নয়ন হয়েছে, তার ভিত্তি রচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি শিক্ষার প্রসার ও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
আজ শুক্রবার সকালে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের এফিলিয়েটেড বডিসমূহের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এসব কথা বলেন।
দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রকৃত অর্থে এগিয়ে নেওয়ার পেছনেও এই নেতার অনন্য অবদান ছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সব উন্নয়নের পেছনে শহীদ জিয়া এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জড়িত ছিলেন।’
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনকে নিয়ে কেউ রাজনীতি করবে না এই আশা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই ধরনের সেবামূলক স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশনকে নিয়ে কারো রাজনীতি করা উচিত নয়। এটিকে কোনো দলের সম্পত্তি না ভেবে সাধারণ মানুষের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্মকে দেশের প্রকৃত ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি বাস্তব ও সত্য তথ্য সমাজ ও জাতির সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান।’
সভায় জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশসের সভাপতি হাসনাইন আকতার হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সদস্যদের হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা, দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি প্রমুখ।