
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের দায়িত্ব নেয় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি। এরপরই মধ্যপ্রাচ্যে (ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র) যুদ্ধ। অবশ্য দেশের অর্থনীতি স্বৈরাচার হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি-লুটপাট ও অর্থপাচারে এমনিতেই গভীর সংকটে ছিল। এরপর হাসিনা ভারতে পলায়ন করলে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। এই সরকারের দেড় বছরে নানাবিধ ভুল সিদ্ধান্তে অর্থনীতি আরও বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। আর আগে থেকেই ভঙ্গুর বিশ্ব অর্থনীতি। যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ চেইন বিঘ্নিত হওয়া, মূল্যস্ফীতি, রফতানিতে ভাটা, রেমিট্যান্স প্রবাহে অস্থিরতা এবং রিজার্ভের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে। এই ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্যেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার। প্রতিবছর বাজেট ঘোষণার আগে-পরে বাজারে এবং জনমনে অস্থিরতা বিরাজ করে। কিন্তু এবারই অনেকটা ব্যতিক্রম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল এক বক্তব্যে জানিয়েছেন, এবারের বাজেট গণমুখী। বাজেটে নিত্য পণ্যের দাম কমিয়ে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের সব মানুষের জন্য স্বস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই সরকার এবারের বাজেট প্রণয়ন করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এমনকি এবার বাজেট বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীরাও বাজেটকে স্বস্তিদায়ক বলেছেন। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, উচ্চ ঋণসুদ এবং কিছু করনীতির বিষয়ে উদ্বেগ থাকলেও বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে শিল্প ও বিনিয়োগকে পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বাজেটকে সামগ্রিকভাবে সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বাজেটের আকার বড় হলেও তা বাস্তবায়ন অসম্ভব নয় বলে মনে করে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই। তবে বাজেটের লক্ষ্য অর্জনে দূরদর্শিতা, দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করছে সংগঠনটি। বাজেট পরবর্তী এক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এফবিসিসিআই জানায়, প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দেয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। এমনকি বাজেট বিশ্লেষণে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডির) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ছাড়া অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই চাপের মুখে রয়েছে। তাই বিশাল বাজেট বাস্তবায়ন করাই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে, জনগণ ও ব্যক্তিখাতকে স্বস্তি দেয়ার প্রচেষ্টা আছে বাজেটে। একই সঙ্গে স্বচ্ছতা এনে বাস্তবায়ন করতে পারলে বাজেটের সুফল মিলবে।
সূত্র মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হ্রাস ও চিকিৎসা খরচ কমবে। বাজেটে শিশুখাদ্য, চাল-ডালসহ ৬০ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানো হয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু কর-শুল্ক কমানোর প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে। একই সাথে কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে সব ধরনের কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হ্রাস ও চিকিৎসা খরচ কমবে। আর সরকারের এমন উদ্যোগে বাজেট নিয়ে নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত জনগণের মধ্যে ব্যাপক স্বস্তি দেখা গেছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন। বাজেটে ৬০ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর হ্রাস, ডায়ালাইসিস, হার্টের রিং, চোখের লেন্সের দাম কমানোর জন্য কর ছাড়ের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
এছাড়াও সামাজিক সুরক্ষা খাতে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে শুধু প্রচলিত ভাতা কর্মসূচির পরিধি বাড়ানোই নয়, বরং পরিবারভিত্তিক সহায়তা বা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য নগদ প্রণোদনা বা কৃষক কার্ড, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সম্মানী, শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ ভাতাসহ একাধিক নতুন কর্মসূচি যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এদিকে এবারই প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের জন্য ঘোষিত বাজেটে (২০২৬-২৭) প্রধান আকর্ষণ হিসেবে রাখা হয়েছে ‘প্রবাসী কার্ড’। এর মাধ্যমে প্রবাসীরা প্রবাসীকল্যাণ সেবা, বিমা সুবিধা, সহজ ব্যাংকিং ও জরুরি আইনি সহায়তা একই প্ল্যাটফর্মে পাবেন। একই সঙ্গে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হচ্ছে।
মূলতঃ বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে পরিণত করা, সাধারণ মানুষের জীবনযাপনকে সহজ ও স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তাবিত বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অর্থনীতিবিদেরা মনে করছেন, নিত্যপণ্যের ওপর কর কমানোর সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। তবে বাজেটের আসল পরীক্ষা হবে বাস্তবায়নে। মানুষের পকেটের চাপ কমাতে কতটা সহায়ক হবে, তা নির্ভর করবে বাজার তদারকির ওপর। তাই এখন সঠিকভাবে বাজেট বাস্তবায়নে সরকারকে নজর দিতে হবে। তবে কর কমানোর প্রস্তাবের পাশাপাশি কিছু পণ্যে শুল্ক-কর বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে; যা পকেটের ওজন কমাবে এবং জনমনে স্বস্তি আনবে।
বাজেট প্রস্তাব বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও সহনীয় পর্যায়ে আনতে সরকার আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের জন্য বড় কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে। চাল, ডাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ভোজ্যতেল, চিনি ও লবণের মতো ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানো হয়েছে। আগে এসব পণ্যের ওপর উৎসে কর ছিল ২ থেকে ৫ শতাংশ। এখন তা এক ধাক্কায় কমিয়ে মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে বাজারে এসব পণ্যের দাম দ্রুতই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ নিয়ে রাজধানীর বাড্ডার গৃহিণী তানিয়া বেগম বলেন, বাজেটের হিসাব আমরা বুঝি না। তবে শুনেছি চাল, ডালের দাম কমবে। এটা কমলেই হয়। আমরা শান্তিতে খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে চাই। সরকার এতটুকু করলেই আমরা খুশি।
জানতে চাইলে রাজধানীর বেইলি রোডের দুই সন্তানের জননী আফরোজা কেয়া বলেন, শুনেছি বাজেটে শিশু খাদ্যের দাম কমবে। এটা হলে আমার মত যারা মা আছে তাদের জন্য অনেক বড় সুখবর। সংসারের খরচ যে হারে বেড়েছে তাতে খরচ চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে আমাদের (সাধারণ মানুষের)। আর এতে শিশু সন্তানের পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করা আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সরকার যে এটা নিয়ে চিন্তা করেছে সে জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ।
এদিকে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ সাশ্রয় করতে বাজেটে বিশেষ নজর দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান স্বস্তির বার্তা এসেছে কিডনি ও হৃদরোগীদের জন্য। ডায়ালাইসিস ফিল্টার, ব্লাড টিউবিং সেট, হার্টের স্টেন্ট এবং চোখের ইনট্রাওকুলার লেন্সে ভ্যাট ও করছাড়ের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিবার ডায়ালাইসিসের খরচ প্রায় ৮০০ টাকা কমবে। এছাড়া হার্টের রিংয়ের দাম প্রায় ২০ হাজার টাকা এবং চোখের লেন্সের দাম ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কমবে। দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ চিকিৎসা ব্যয়ে বিপর্যস্ত মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এছাড়া ব্যাংক আমানতকারীদের জন্যও কিছু স্বস্তি রয়েছে। ব্যাংক হিসাবের ওপর আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীরা কিছুটা সুবিধা পাবেন। অপরদিকে মোবাইলের সিম কার্ডের ওপর বিদ্যমান ৩০০ টাকার কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি কম্পিউটার, প্রিন্টার, মনিটরসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের ওপর শুল্ক ও কর কমানোর প্রস্তাব রয়েছে। ফলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে; যা শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে। এদিকে শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মসংস্থানের জন্য ৪ মাস মেয়াদি ‘কেয়ার গিভার’ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে কেয়ার গিভারের চাহিদা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের চাহিদা অনুযায়ী এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা সম্ভব হলে একদিকে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রসারিত হবে এবং একইসাথে প্রবাসী আয় অর্জনের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। দেশেও কেয়ার গিভারের চাহিদাও প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
বাজেটে সরকারের চিকিৎসা চিন্তা বিষয়ে মুগদা মেডিকেলের সামনে কথা হয় অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী জাহেদ খোকনের সঙ্গে। তিনি বলেন, শুনেছি বাজেটে কিডনি ডায়ালাইসিসের দাম কমবে। এটা আমাদের মত প্রবীণ নাগরিকদের জন্য খুশির সংবাদ। আসলে আমাকে কয়েকমাস পরপর কিডনির ডায়ালাইসিস করতে হয়। আর এতে প্রচুর টাকাও লাগে। এখন সরকার যদি সত্যিই এই বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারে তাহলে সাধারণ জনগণ আসলেই উপকৃত হবে। একই সঙ্গে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ট্রেনে বিনামূল্যে ভ্রমণের সুবিধা এবং মেট্রোরেল ভাড়ায় তাদের জন্য ২৫ শতাংশ ছাড় দেয়ার ঘোষণা করেছে সরকার।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেছেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও কল্যাণভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায়। এ লক্ষ্যে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, প্রবীণ নাগরিক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, মুক্তিযোদ্ধা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সরকারের বিশেষ নজরের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ইনকিলাবকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন সরকার শুরু থেকেই বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে পরিণত করতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। যদিও তিনি নির্বাচনের আগেই এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দিয়েছিলেন। যার প্রতিফলন এই বাজেটে রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যার সুফল সরাসরি দেশের সাধারণ নাগরিকরা পাবে। সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই।
ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, কর কমানো ইতিবাচক উদ্যোগ। কিন্তু দেশের বাজারে অনেক সময় করছাড়ের পুরো সুবিধা ভোক্তার কাছে পৌঁছায় না। এ জন্য বাজার তদারকি ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।