বাংলাদেশের ভারতীয় নাগরিকদের পুশইনের ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেছেন, আমরা প্রতিটি কেস আলাদা আলাদাভাবে নিরীক্ষণ করছি। আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আমাদের দেশের নাগরিক যদি কেউ হয়ে থাকেন, আর সেটা যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে তাদের আমরা গ্রহণ করব। তবে এটা ফরমাল চ্যানেলে হতে হবে। এভাবে পুশইন করাটা সঠিক প্রক্রিয়া নয়।
আজ বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
পুশইনের ব্যাপারে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে কি না, জানতে চাইলে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, আমরা এটা নিয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।
দেশের পররাষ্ট্র সচিব পরিবর্তন হচ্ছেন কি না, জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, সে রকম কিছু হলে তো আপনারা জানবেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ও আজ সকালে কুড়িগ্রাম থেকে ৪৪ জনকে ও খাগড়াছড়ি থেকে ৬৬ জনকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ির ৩টি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ৬৬ ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) করায় বিএসএফ। বুধবার ভোরে জোর করে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়।
এ ব্যাপারে খাগড়াছড়ির ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, ভারতীয় নাগরিকদের পুশইন করার খবরটি সঠিক। এখন পর্যন্ত জেলার তিনটি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ৬৬ জন ভারতীয় নাগরিককে পুশইন করার খবর পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, জামালপুর বিজিবি ৩৫ ব্যাটালিয়নের রৌমারী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার সোহেল রানা রোহিঙ্গাসহ ৩০ জনকে আটকের বিষয় নিশ্চিত করেছেন।
অপরদিকে, জেলার ভূরুঙ্গামারীর ভাওয়ালকুড়ি সীমান্ত পথে ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা নারী শিশুসহ ১৪ রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি। তারা সবাই কক্সবাজার উখিয়া ক্যাম্প থেকে দালালদের সহায়তায় ভূরুঙ্গামারীর ভাওয়াল কুড়ি বাজারের কাছে জড়ো হয়েছিলেন।