ভারতের আহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর এয়ার ইন্ডিয়ার বিধ্বস্ত ড্রিমলাইনারের ২৪২ আরোহীর কেউ বেঁচে নেই বলে জানিয়েছেন আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার জি এস মালিক।
সংবাদসংস্থা এএফপি আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনারকে উদ্ধৃত করে জানায়, ‘এই দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই বলে মনে হচ্ছে। যেহেতু বিমানটি আবাসিক এলাকায় এবং কিছু অফিসের উপর পড়েছে, তাই হতাহতের সংখ্যাও বেশি।’
এই ফ্লাইটের ২৪২ আরােহীর মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, সাতজন পর্তুগিজ ও একজন কানাডার নাগরিক ছাড়াও দুইজন পাইলট এবং ১০ জন কেবিন ক্রু ছিলেন।
জি এস মালিক বলেন, ‘উড্ডয়নের পর বিমানটি এখানে বিধ্বস্ত হয় এবং প্রাথমিক তদন্তের পর আমরা জানতে পারি যে, বিমানটি একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়েছে, যা একটি চিকিৎসকদের হোস্টেল। ঘটনার কয়েক মিনিট পরে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে… আমরা প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকা পরিষ্কার করেছি। অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে যাওয়ার জন্য একটি করিডর তৈরি করতে আমরা সবাইকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করছি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে বিমানটি আমদাবাদ থেকে উড্ডয়ন করে। উড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি ভেঙে পড়ে একটি চিকিৎসকদের হোস্টেলের উপর।
ফ্লাইটটি আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকে যাচ্ছিল। টেকঅফের পরেই এটি দুর্ঘটনায় পড়ে।
এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি যে মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের উপর বিধ্বস্ত হয়েছিল সেই হোস্টেলের ৫ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিজে মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে নিহত পাঁচজন মেডিকেল ছাত্রের মধ্যে নিহত চারজন স্নাতক এবং একজন স্নাতকোত্তর স্তরের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাছাড়া আহত হয়েছেন অনেকে।