বিএসসি ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দাবির যৌক্তিকতা যাচাইয়ে সরকারের গঠিত ৮ সদস্যের কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে সংবাদ সম্মেলনে তারা পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা আবারও শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি জুবায়ের আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গঠিত কমিটিকে আমরা প্রতিনিধিত্বের অনুপযুক্ত মনে করছি। তাই আমরা এটি প্রত্যাখ্যান করছি। অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি ও প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের অংশীদারদের অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি পুনর্গঠন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের পেশ করা তিন দফা দ্রুততম সময়ে মেনে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। এই বিষয়ে উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আদিলুর রহমান ও সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান এসে আন্দোলনকারীদের নিশ্চয়তা দিতে হবে।
শিক্ষার্থীরা আরও দাবি জানান, পুলিশের হামলায় আহত সব শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যয় সরকারকে বহন করতে হবে এবং আন্দোলন চলাকালীন শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। যৌক্তিক আন্দোলনে পুলিশি হামলা বন্ধ করতে হবে। হামলায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে চাকরি থেকে বহিষ্কার করতে হবে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে আন্দোলনকারীদের সামনে এসে ক্ষমা চাইতে হবে ও জবাবদিহি করতে হবে।
এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটিবিষয়ক শাখার অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবিরের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে প্রকৌশলীদের দাবির যৌক্তিকতা নিরীক্ষায় ৮ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতি করা হয় মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানকে।