বরগুনার পাথরঘাটায় বিএনপির ২ নেতাকে কুপিয়ে আহত করার মামলার পৌর জামায়াতের আমির বজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে পৌর শহরের ঈমান আলী সড়কে তার মালিকানাধীন একটি ফার্মেসি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনায় একাধিক মামলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সুপারের নির্দেশে বিশেষ অভিযানে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার আসামি হওয়ায় বজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার গভীর রাতে যৌথবাহিনীর অভিযানে পাথরঘাটায় আরও ১১ জনকে গ্রেপ্তার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে বিএনপি, জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন। গত ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর পাথরঘাটার চরদুয়ানী ইউনিয়নের খলিফারহাট চৌরাস্তায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে যুবদল সদস্য সরোয়ার হোসেন ফারুক এবং বিএনপির সাবেক নেতা সেলিম বেপারী গুরুতর আহত হন। তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় সেলিম বেপারীর স্ত্রী শাহানাজ পারভীন বাদী হয়ে ১৪ জানুয়ারি পাথরঘাটা থানায় ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বজলুর রহমান ওই মামলার ৫ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদ বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় আমাদের পক্ষ থেকেও মামলা করা হয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়েছিল। এরপরও আমাদের নেতাদের গ্রেপ্তার করা দুঃখজনক। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জামায়াত প্রশাসনের সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
এ বিষয়ে বরগুনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মনির বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।