• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর উত্তপ্ত ফোনালাপ

সবার আগে আন্তর্জাতিক : / ২১ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে এক উত্তপ্ত ফোনালাপ হয়। ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনায় আস্থা রাখতে পারেননি নেতানিয়াহু। তিনি চান আবার যুদ্ধ শুরু করতে। আর ট্রাম্প আগ্রহী শান্তি আলোচনা চালিয়ে যেতে। এ বিষয়টি নিয়েই তর্ক হয় দুজনের।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোনালাপে নেতানিয়াহু ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে চুক্তি করার তীব্র বিরোধিতা করেন।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহ প্রকাশ করে আসছে, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর ওপর হামলা থেকে বিরত থাকার কোনো চুক্তি মেনে চলবে না। গত মঙ্গলবারের ফোনালাপ এবং এর আগে গত রবিবারের আরেকটি কথোপকথনেও নেতানিয়াহু ট্রাম্পের কাছে একই উদ্বেগ তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।
তবে ট্রাম্প এতে সন্তুষ্ট হননি। তিনি নেতানিয়াহুকে জানান, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি একটি সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। একই সঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, আলোচনায় ইরান আরও নমনীয় না হলে নতুন করে হামলার মুখোমুখি হতে পারে।

গত বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার আলোচনা ভালো হয়েছে এবং ইসরায়েলি নেতা ‘আমি যা চাই, তাই করবে।’ পরে ইরান নিয়ে সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছেছেন কি না জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘এখন বিষয়টি একেবারে সীমারেখায় দাঁড়িয়ে আছে।’ ইরানের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের সঠিক উত্তর পেতে হবে এবং সেটা শতভাগ সন্তোষজনক হতে হবে।
হোয়াইট হাউস ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি। নতুন করে হামলা ঠেকাতে চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানসহ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। তবে সপ্তাহের শুরুতে আলোচনায় খুব কম অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন মধ্যস্থতাকারীরা। পারমাণবিক ইস্যু, হরমুজ প্রণালি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়েই কঠোর অবস্থানে রয়েছে, আপসের খুব কম ইঙ্গিত মিলেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বলেছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু প্রায়ই সরাসরি ও কঠোর ভাষায় কথা বলেন। তবে এই ফোনালাপে উঠে এসেছে যে যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে দুই মিত্র দেশের স্বার্থে পার্থক্য তৈরি হয়েছে। সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031