• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নতুন ২ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের খালেদা জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান শূন্যপদ পূরণে ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের সমৃদ্ধি সম্ভব নয় : স্পিকার বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু শুক্রবার মত-পথের পার্থক্য থাকতে পারে, তর্ক-বিতর্ক যেন শত্রুতায় রূপ না নেয় স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ইরানে চার ইসরায়েলি ‘গুপ্তচর’ গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা পদক হস্তান্তর করবেন আজ ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ৭০০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ: শিক্ষামন্ত্রী

কে ছড়ালো টাকার বস্তা কর্ণফুলির বাঁকে!

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ৭৮ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি নাচালো পুরো চট্টগ্রাম। কর্ণফুলি নদীতে পলিথিনের স্বচ্ছ বস্তায় ভাসমান কিছু টাকার ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

বুধবার নদীতে এক শ, পাঁচ শ এবং হাজার টাকার নোট ভর্তি ৭টি বস্তা কর্দমাক্ত পানিতে ভাসতে দেখা যায় ছবিতে । ভাসমান টাকার বস্তার এই ছবি দেখে ঘটে যায় হুলস্থূল কাণ্ড। অনেকেই ছুটে যান কর্ণফুলির তীরে। নদীর এ প্রান্ত থেকে ওই প্রান্তে ছোটাছুটি করতে থাকেন। কিন্তু কিসেরর কি? কোথায় সেই কোটপটি হওয়ার সূবর্ণ সুয়োগ! এতগুলো টাকার বস্তা কোথায় গেল?

ছবিটি সবার আগে কে পোস্ট করলো তা এখনও জানা যায়নি। তবেকাদের চৌধুরী নামের এক ব্যবসায়ীর সন্ধান পাওয়া গেল। তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে ওইছবি শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, চট্টগ্রামের পলাতক ব্যাংক লুটেরাদের রাজনৈতিক নেতাদের কয়েকজনের বাড়ি চট্টগ্রাম। তারা হয়তো টাকা লুকাতে না পেরে নদীতে ফেলে দিয়েছেন।তিনি বলে, আসলে কয়েকটি পেইজে ছবিটি দেখে আমি তা কেবল শেয়ার করেছি এবং নিজের ধারনার কথা উল্লেখ করেছি।

এ বিষয়ে কর্ণফুলী নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পুরো বিষয়টি ‌‍‌‍‌ভুয়া বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, একটু মনোযোগ দিয়ে দেখলেই বুঝবেন এটি এআই দিয়ে তৈরি করা ছবি। এটার কোনো ভিত্তি নেই।

এটি একধরনের প্রতারণা ও অপরাধ উল্লেখ করে ওই পুলিশ কর্মকতা বলেন, কে বা কারা এই কাজটা প্রথম করেছে তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরোও

Archive Calendar

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930