• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
Headline
অপরাধীরা ফের বেপরোয়া নরসিংদীতে অনুমোদন পেল সরকারি মেডিকেল কলেজ যেভাবে দুবাই বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হলেন বেনজীর আইনজীবী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন, জনজীবনে স্বস্তি ফিরবে নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ‘বাজেটে মদ-সিগারেটের ওপর ট্যাক্স বাড়ানোয় চরম নাখোশ বিরোধী দল’ প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেই কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনে বড় রদবদল বাংলাদেশের উন্নয়নের ভিত্তি গড়েছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: ডা. জাহিদ বাংলাদেশে এসেই দুই দেশ এক করার কথা বললেন নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার বাজেটে বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর সৌর বিদ্যুৎখাতের বিকাশে কর-শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব ফ্যাসিবাদ আমলে সবচেয়ে সংকটাপন্ন খাত ছিল শিক্ষা: সংসদে অর্থমন্ত্রী নতুন অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন আজ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের বাজেট বাজেট ২০২৬-২৭, যেসব পণ্যের দাম কমতে ও বাড়তে পারে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু ৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ

সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ৩১ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা বর্তমান যুগে খুব কঠিন হওয়ার কথা নয়, যদি আধুনিক ফরেনসিক সাইকোলজিক্যাল টুলস ও বৈজ্ঞানিক তদন্ত পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

এক্ষেত্রে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক টুল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রথমত, মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অভিযুক্ত বা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের বক্তব্য অডিও ও ভিডিও আকারে রেকর্ড করা যেতে পারে। পরবর্তীতে সেই বক্তব্য Layered Voice Analysis (LVA) প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করলে বোঝা সম্ভব হয় ব্যক্তি কোন আবেগীয় অবস্থান থেকে কথা বলছেন এবং কোন প্রশ্ন বা বিষয়ের ক্ষেত্রে তার মধ্যে মানসিক চাপ (stress) বা অস্বস্তি দেখা দিচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও নির্দিষ্ট ও লক্ষ্যভিত্তিক প্রশ্ন তৈরি করা যায়।

দ্বিতীয়ত, এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে Polygraph Examination বা প্রচলিত ভাষায় লাই ডিটেকশন টেস্ট পরিচালনা করা যেতে পারে। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সত্য গোপন করছেন কি না বা ঘটনাটির সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানী তথ্য পাওয়া সম্ভব।

তৃতীয়ত, যদি কোনো ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করতে না চান, তাহলে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ বা মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ নিয়ে Brain Mapping (BEOS/P300 Based Assessment) পরীক্ষা করা যেতে পারে। এই পরীক্ষায় মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক তরঙ্গ EEG বিশ্লেষণের মাধ্যমে নির্ণয়ের চেষ্টা করা হয় ব্যক্তি ঘটনাটির সঙ্গে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতামূলক সংযোগ রাখেন কি না।

ভারতের বিভিন্ন আদালত ও তদন্ত সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এসব বৈজ্ঞানিক টুল ব্যবহার করে আসছে। যদিও এগুলোর ফলাফলকে সব ক্ষেত্রে একক ও চূড়ান্ত প্রমাণ ( Conclusive evidence) হিসেবে গণ্য করা হয় না, তবুও তদন্তকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে এবং নতুন তথ্য উদ্ঘাটনে ( supportive evidence) এগুলো গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশের বিচার ও তদন্ত ব্যবস্থায় এসব আধুনিক ফরেনসিক সাইকোলজিক্যাল টুলের ব্যবহার এখনো শুরু হয়নি।

লেখক: পিএইচডি গবেষক, ফরেনসিক সাইকোলজি, ন্যাশনাল ফরেনসিক সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটি, ভারত এবং পরিচালক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফরেনসিক সাইকোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ForensicBD)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031